তিস্তার চরে পেঁয়াজের বাম্পার ফলনে কমেছে পেঁয়াজের ঝাঁজ
English

তিস্তার চরে পেঁয়াজের বাম্পার ফলনে কমেছে পেঁয়াজের ঝাঁজ

তিস্তার চরে পেঁয়াজের বাম্পার ফলনে কমেছে পেঁয়াজের ঝাঁজ

চলতি রবি মৌসুমে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা উপজেলার তিস্তা নদীর জেগে ওঠা ধু-ধু বালু চরে পেয়াজের বাম্পার ফলনে চাষীদের মুখেহাসি ফুটেছে।

জানা যায়, গত বছর পেয়াজের সংকট এবং দাম বেশি হওয়ায় এসব চর এলাকায় চাষীরা অন্যান্য ফসলের চেয়ে পেঁয়াজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। অন্যান্য বছরের তুলনায় গম তামাক চাষ না করে এবার চরাঞ্চলে শুধু পেঁয়াজ চাষে ঝুকে পড়েছে তারা। তাই সর্বনাশা তিস্তানদীর জেগে উঠা চরগুলোতে পেঁয়াজ চাষ করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন চাষীরা।

সোমবার (২৮ ডিসেম্বর) উপজেলার চর সিন্দুর্না, চর ধুবনী,গড্ডিমারী ও পাটিকাপাড়া চর এলাকা ঘুরে দেখা যায়, পেঁয়াজের বাম্পার ফলন। এসব চর এলাকার কৃষক বন্যায় রোপা আমন চাষে ক্ষতিগ্রস্থ হলেও পেঁয়াজ চাষে সফলতার স্বপ্ন দেখছে।

এসময় পেঁয়াজ চাষী আকবার আলী জানান, আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় পেঁয়াজ ক্ষেতে কোন আপদ দেখা যায়নি। পেঁয়াজ ঘরে তোলা সময় পর্যন্ত আবহাওয়া অনুকুলে থাকলে রোপা আমনের ক্ষতি পেঁয়াজ দিয়ে পুষিয়ে নেওয়া যাবে।

অপর চাষী লতিফুর রহমান বলেন, বর্তমান বাজার মুল্য স্থীতিশীল থাকলে পেঁয়াজ চাষীরা লাভবান হবে। এছাড়াও তারা আগামীতে পেঁয়াজ চাষে আগ্রহী হবে।

হাতীবান্ধা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ওমর ফারুক জানান, অন্যান্য বছরের তুলনায় চলতি বছরে এ উপজেলায় ২৮০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ চাষ হয়েছে। গত বছরে বাজারের পেঁয়াজের তীব্র সংকট এবং মুল্য বৃদ্ধি হওয়ায় সরকার উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে চাষীদেরকে বিনামূল্যে পেঁয়াজের বীজ ও সহয়তা দিয়েছে। তাই চাষীরা অন্যান্য ফসলের তুলনায় পেঁয়াজ চাষে বেশি আগ্রহী হয়ে উঠছেন।

এবারে পেঁয়াজ চাষ ও বাম্পার ফলনে উৎপাদিত পেয়াজ দিয়ে দেশের চাহিদা পুরন করতে সক্ষম হবে বলে মনে করেন তিনি।

শেয়ার করুন


Advertisement




Ads Manager

All Rights Resrved & Protected