লাপাত্তা জামায়াত ইসলামের আমির শাহ্ আলমের মেয়ে হাবিবা
English

লাপাত্তা জামায়াত ইসলামের আমির শাহ্ আলমের মেয়ে হাবিবা

লাপাত্তা জামায়াত ইসলামের আমির শাহ্ আলমের মেয়ে হাবিবা

জামায়াত ইসলামের আমির শাহ্ আলম
জামায়াত ইসলাম

বাংলাদেশ জামায়াত ইসলামীর যশোর জেলা পশ্চিম শাখার চৌগাছা উপজেলা শাখার শুরা সদশ্য, পাশাপোল ইউনিয়ন জামায়াতের আমির ও বিষহরী দাখিল মাদ্রাসার বিতর্কক মৌলবী শিক্ষক মাওঃ শাহ-আলমের ছোট মেয়ে হাবিবা (১৫) রঘুনাথপুর গ্রামের আমিনুর রহমান খোকনের ছেলে রনি (১৭) সঙ্গে ঈদুল আযহা দিন লাপাত্তা।

গত বুধবার (২১ জুলাই) সন্ধ্যার পর রঘুনাথপুর গ্রামে বসিন্দা জামায়ত ইসলামের ইউনিয়ন আমির শাহ আলমের মেয়ে একই গ্রামের আমিনুর রহমান খোকনের ছেলের সঙ্গে লাপাত্তা হয়।

জামায়ত ইসলামের ইউনিয়ন আমির শাহ্ আলমের ছোট মেয়ে হাবিবা সঙ্গে একই গ্রামের বেশ কয়েকজন ছেলের সাথে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্ক ছিল বলে জানা গেছে। কিন্তু গতকাল রনির সঙ্গে সন্ধ্যায় বাবা মসজিদে নামাজ পড়াতে আসলে এবং মা বাসায় নামাজ পড়তে দাঁড়ালে এ সুযোগ নিয়ে পালিয়ে যায় হাবিবা। মাগরিবের নামাজ পড়তে আসা বেশ কয়েকজন মুসল্লি জানিয়েছে, মাগরিবের নামাজের সময় লাপাত্তা হওয়া মেয়েটির বাড়ির সামনে মোটরসাইকেল নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিল রনি।

বাংলাদেশ জামাত ইসলামের কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য খুলনা অঞ্চলের পরিচালক মোবারক হোসেন জানান, তিনি এ বিষয়ে কিছুই জানেন না। তবে মেয়ের জন্য বাবাকে জবাবদিহিতার মুখোমুখি করা হতে পারে বলে তিনি মনে করেন না। বাংলাদেশ জামাত ইসলামের আরেক কেন্দ্রীয় কার্যকরী পরিষদের সদস্য আবুল কালাম আজাদ জানান, তিনি এ বিষয়ে এখন পর্যন্ত কিছুই জানেন না।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী চৌগাছা উপজেলা শাখার শুরা সদশ্য, পাশাপোল ইউনিয়ন জামায়াতের আমির মাওঃ শাহআলম সংগঠনের মধ্যে গুরুপিং ও নৈতিকতা বিরোধী কাজ করা সহ পাশাপোল ইউনিয়নে ১৭ টি গ্রামের মধ্যে ৫টি গ্রামে রুকন সংখ্যা ২১ বাকি গ্রামগুলো সাংগঠনিক তৎপরতা নেই বলে অভিযোগ করেছে সংগঠনটির বেশ কয়েকজন কর্মীর।

তারা বলেন, ইউনিয়ন আমিরের উদ্দেশ্য সংগঠন মজবুত নয় গুরুপিং মজবুত। এ চিন্তা মাথায় রেখে নিজ গ্রামে ছয় জন রুকন থাকা সত্ত্বেও গুরুপিং মজবুত করার জন্য ঐ একই গ্রামে আরো ৪ জন নারী ও একজন পুরুষ এছাড়া পাশের গ্রামের ২ জন সহ মোট ৭ জনকে যেনতেন ভাবে রুকন তৈরি করে তার গুরুপিং আরো মজবুত করে নিজের ব্যক্তিত্ব প্রতিষ্ঠা করার উঠেপড়ে লেগেছে বলে অভিযোগ করে।

তাদের উত্তর পত্রের বিষয়টি ইউনিয়ন কর্মপরিষদ ও উপজেলা কর্মপরিষদ বৈঠকের কোন সদস্য অবহিত নয়। জেলা আমির ও জেলা সেক্রেটারির উপস্থিতিতে উপজেলা কর্মপরিষদ বৈঠকে পেশ করলে তা অনুমোদন দেয়া হয় না। এ বৈঠকে পাশকরার পূর্বেই অনিয়ম তান্ত্রিক ভাবে তাদের জেলা সাক্ষাৎ নেয়া হয়েছে। গুরুপিং মজবুত করার লক্ষে নিয়ম বহির্ভূত যেনতেন ভাবে অযোগ্য ব্যক্তিকে রুকন তৈরি করছে বলে বিষয়টি নিয়ে জামায়াতের কর্মীদের মধ্যে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়েছে।

শেয়ার করুন


Advertisement




Ads Manager

All Rights Resrved & Protected