প্রাথমিকসহ তিনটি স্কুলের মাঠে প্রভাবশালীদের চাষাবাদ !
English

প্রাথমিকসহ তিনটি স্কুলের মাঠে প্রভাবশালীদের চাষাবাদ !

প্রাথমিকসহ তিনটি স্কুলের মাঠে প্রভাবশালীদের চাষাবাদ !

প্রাথমিকসহ তিনটি স্কুলের মাঠে প্রভাবশালীদের চাষাবাদ !
প্রাথমিকসহ তিনটি স্কুলের মাঠে প্রভাবশালীদের চাষাবাদ !

ঝালকাঠির রাজা’পুর উপজেলায় তিনটি স্কুলের মাঠে পুরোদমে শুরু হয়েছে চাষাবাদ। অভিযোগ উঠেছে, এ কাজ’গুলো করছেন স্থানীয় প্রভাব’শালীরা। আর এতে সহযো’গীতায় রয়েছেন খোদ প্রধান শিক্ষক ও ম্যানেজিং কমিটি।

স্কুল তিনটি হল- উপজেলার দক্ষিণ রাজা’পুরের ইউসুব আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ফিরোজা মজিদ বি’দ্যালয় ও ৩১ দক্ষিণ রাজা’পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়।

জানা গেছে, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষককে অর্থের বিনিময়ে স্থা’নীয় প্রয়াত সেকেন্দার আলী হাওলাদারের ছেলে মো. মোশারফ আলী হাও’লাদার ট্রাকটার দিয়ে দক্ষিণ রাজা’পুরের ইউসুব আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় ও দক্ষিণ রাজা’পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে চাষ করেছেন।

এমন ঘটনায় এলাকায় চাঞ্চ’ল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় শিক্ষা’র্থী ও অভিভাবকরা বলছেন, স্কুল বন্ধ থাকার কারণে শি’ক্ষার্থীরা মাঠে এসে খেলা’ধুলা করতো। কিন্তু এখন আর সেই সু’যোগ নেই। টাকা নিয়ে স্কুলের মাঠ ভাড়া দিয়েছেন প্রধান শি’ক্ষক।

সরেজমিনে দেখা গে’ছে, ইউসুব আলী মা’ধ্যমিক বিদ্যালয় ও দক্ষিণ রাজা’পুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের খেলার মাঠে মোশারফ আলী হাও’লাদার নামে এক ব্যক্তি জমি চাষ করছেন।

জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘স্কুলের প্রধান শিক্ষক আবু বক্কর সিদ্দিকের কাছ থেকে নগদ টাকার বিনিময়ে স্থানীয় যুব’লীগ নেতা মাইনুল ইসলাম স্কুল’মাঠ চাষ করার অনুমতি নিয়েছেন।

এদিকে দক্ষিণ রাজা’পুরের ফিরোজা মজিদ বিদ্যালয়ের মাঠেও একই অবস্থা। সেখানেও বীজতলা তৈরির অনুমতি দিয়েছে স্কুল কর্তৃ’পক্ষ। ওই মাঠেও চাষাবাদ করে ধানের বীজ বপন করা হয়েছিল।

এখন সেই বীজ ধানে রূ’পান্তরিত হতে শুরু করেছে।এ বিষয়ে ফিরোজা মজিদ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. ফিরোজ আলম বলেন, স্কুলের দপ্তরি আমার অনুমতি নিয়েই বীজ’তলা তৈরি করেছে। এখন স্কুল বন্ধ তাই অনু’মতি দিয়েছি।

অপর’দিকে ইউসুব আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. আবু বক্কর সিদ্দিক টাকা নেয়ার অভিযোগ অ’স্বীকার করে বলেন, এ বিষয়ে আমি কিছুই জানি না, সব বিদ্যালয়ের ম্যানে’জিং কমিটি জানে।

ইউসুব আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. আলিম আল মাসুদ বলেন, এখনতো স্কুল বন্ধ, মাঠে বীজ”তলা তৈরি করলে এর সুবিধা কোন না কোন ভাবে সবাই ভোগ করবে।

এ ঘটনা সম্পর্কে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মোক্তার হোসেন বলেন, স্কুলের খেলার মাঠে বীজ’তলা তৈরির কোন বিধান নেই। যদি কেউ করে থাকে অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনানু’গ ব্যবস্থা নেয়া হবে।

শেয়ার করুন


Advertisement




Ads Manager

All Rights Resrved & Protected