লাইফস্টাইল

সাজানো থাকুক শিশুর ঘর

বাচ্চা একটু বড় হলেই শুরু হয় তার দস্যিপনা। তাকে সামলে রাখতে বাড়ির বাকি সদস্যদের অবস্থা নাজেহাল। যতই ঘর গুছিয়ে রাখুন স্কুল থেকে ফিরেই ওলট-পালট করে দেয়। ফলস্বরূপ বাচ্চার ঘর সাজাতে গিয়ে হিমশিম অবস্থা। বাচ্চার ঘর গুছিয়ে রাখাটা একটু কঠিন হলেও অসম্ভব নয়। নিয়মিত পরিষ্কার করা থেকে শুরু করে সুন্দরভাবে সাজিয়ে রাখা সবকিছুর জন্য রইল সহজ পরামর্শ।

সহজ টিপস-
বেশি কারুকার্য করা বা ভারি আসবাব না রেখে ঘরে রাখুন স্লিক এন্ড ফার্নিচার। ঘরে বড় আলমারির পরিবর্তে ব্যবহার করুন দেয়াল আলমারি। এতে জায়গা বেঁচে যাবে এবং বাচ্চাও ঘরে খেলার জায়গা পাবে। খেয়াল রাখবেন আসবাবে যেন কোনো ধারালো কিছু না থাকে, এতে আপনার বাচ্চা আঘাত পেতে পারে। ঘরের এক কোনে দড়ির উপর সিটিং অ্যারেঞ্জমেন্ট রাখুন, বাচ্চা বসে খেলতে পারবে সাথে বিছানাও নোংরা হবে না। বাচ্চা স্কুল থেকে ফিরে জুতা যেখানে সেখানে না রেখে যাতে নির্দিষ্ট জায়গায় রাখে সেই অভ্যাস গড়ে তুলুন। স্কুলব্যাগ নির্দিষ্ট জায়গায় রাখতে দিন। এতে ওর নিজের ঘর গুছিয়ে রাখার উৎসাহও বাড়বে।

বাচ্চার ঘরের কার্পেট, পর্দা মাসে অন্তত একদিন ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে পরিষ্কার করে দিন। পরিষ্কারের সময় বাচ্চাকেও সঙ্গী করে নিন হেল্পিং হ্যান্ড হিসেবে। এতে ছোট থেকেই পরিষ্কার রাখার একটা অভ্যাস গড়ে উঠবে। বাচ্চার ঘরের কালার স্কিমের ক্ষেত্রে দেয়ালে হালকা রং লাগান। পর্দা, বেড কাভারের জন্য গাঢ় রং বেছে নিতে পারেন।

ময়লা জামা-কাপড়ের জন্য একটা আলাদা লন্ড্রি ব্যাগ রাখুন, যাতে স্কুল থেকে ফিরে ময়লা জামা, মোজা ধোয়ার জন্য আলাদা করে রেখে দেয়। যে জিনিসটা যেখান থেকে নিচ্ছে ব্যবহারের পর সেখানে তুলে রাখার অভ্যাস গড়ে তুলুন, এতে আপনার ঘর গুছিয়ে রাখতেও সুবিধা হবে। ঘরে একটা ছোট ডাস্টবিন রাখুন। এছাড়া বাচ্চার ঘরে লাগাতে পারেন ডেকরোটিভ ওয়ালপেপার। তবে ওয়াশেবল ওয়ালপেপার লাগান, যাতে কিছু দাগ হলে বা বাচ্চা আঁকিবুকি করলে মাইল্ড ডিটারজেন্ট পানিতে মিশিয়ে ধুয়ে ফেলতে পারেন।

স্মার্ট সমাধান-  
এমন আসবাব ব্যবহার করুন যাতে অনেক ড্রয়ার আছে, একসঙ্গে অনেক জিনিস সহজে রাখতে পারবেন।
দেয়ালে একটা হোয়াইট বোর্ড লাগিয়ে দিন। আঁকার অভ্যাস থাকলে বা পড়ার সময় কিছু বোঝাতে সহজ হবে।          খেলনাগুলো একটা বড় বাস্কেটে রেখে দিন, খেলা শেষে নিজেই সেগুলো তুলে রাখতে পারবে।

 

Back to top button
%d bloggers like this: