অল্পতেই যাদের চোখে জল আসে, তাদের মধ্যে রয়েছে এক বিশেষ গুণ !
English

অল্পতেই যাদের চোখে জল আসে, তাদের মধ্যে রয়েছে এক বিশেষ গুণ !

অল্পতেই যাদের চোখে জল আসে, তাদের মধ্যে রয়েছে এক বিশেষ গুণ !

অল্পতেই যাদের চোখে জল আসে, তাদের মধ্যে রয়েছে এক বিশেষ গুণ !
অল্পতেই যাদের চোখে জল আসে, তাদের মধ্যে রয়েছে এক বিশেষ গুণ !

মানুষ মাত্রই তাঁর অনুভূতি ও আবেগ থাকা স্বাভাবিক। কারও বেশি থাকে, কারও বা কম। কেউ আবার আবেগ প্রবণ হলেও তা সবার সামনে প্রকাশ করতে পারেন না কখনো। আপনার কি কথায় কথায় চোখে জল চলে আসে?

তাহলে আপনার মধ্যেই কিন্তু রয়েছে বিশেষ গুণ। অনেকেই আছেন, যাঁদের অন্যের দুঃখ দেখেও চোখে জল আসে। এক কথায় এরা খুবই সংবেদনশীল এবং আবেগ প্রবণ হয়। কিন্তু সমাজের বড় অংশটাই এঁদের মনে করে দুর্বল ।মনোবিদরা আবার অন্যরকম মনে করেন।

এক সর্ব ভারতীয় সংবাদ মাধ্যমের প্রতিবেদন অনুযায়ী, সম্প্রতি একটি গবেষণার মাধ্যমে মনোবিদরা জানতে পেরেছেন, যাঁরা অতিরিক্ত মাত্রায় কাঁদেন তাঁদের মধ্যে কয়েকটি বিশেষ বৈশিষ্ট্যও থাকে। মনের মধ্যে কোনও কষ্ট জমে থাকলে তা খুবই ক্ষতিকারক।

উল্টোদিকে যাঁরা কেঁদে নিজের কষ্ট বের করে ফেলতে পারেন, তাঁদের পক্ষে সেই কষ্ট থেকে বেরিয়ে আসাও তুলনামূলক ভাবে একটু সহজ। জীবনে বড় কোনও ধাক্কা খাওয়ার পরে মুহূর্তের জন্য কাঁদলেও, এঁরা সেই কষ্ট থেকে বেরিয়ে আসেত পারেন ওনেক সহজে। অনেকের ধারণা যাঁরা কাঁদেন তারা কখনো ভীতু হন।

কিন্তু মনোবিদরা উলটো মনে করেন। তাঁদের মতে, যাঁরা কাঁদেন, তাঁরা সাহসী হন। নিজের মনের ভাব প্রকাশ করতে তাঁরা ভয় পান না। অনেকে কান্না চেপে রাখেন নিজেকে দুর্বল হিসেবে লোকের সামনে দেখাতে চান না তাই। কিন্তু যাঁরা সমস্ত দুঃখ-কষ্টকে মেনে নিয়ি কাঁদতে ভয় বা লজ্জ্বা পান না তাঁরাই হলো আসল সাহসী। যাঁরা বেশি কাঁদেন তাঁরা জীবনে সমতা বজায় রাখতে সক্ষম হন। এঁরা জানেন কেঁদে মনের ভার হালকা করলে জীবনের পথে চলতে তাঁদের বরং সুবিধাই হবে।

শেয়ার করুন


Advertisement




Ads Manager

All Rights Resrved & Protected