রকমারি

বোয়ালমারীর মেলার আকর্ষণ ১৫০০ টাকার বালিশ মিষ্টি

ফরিদপুরের বোয়ালমারীর ঐতিহ্যবাহী কাটাগড় মেলায় এবার বিশেষ আকর্ষণ বালিশ মিষ্টি। যার এক জোড়ার মূল্য ১ হাজার ৫০০ টাকা। এ মেলার ঐতিহ্য হচ্ছে মাটির খুঁটিতে সাজ-বাতাসা আর কদমা। কিন্তু এবার এর পাশাপাশি আগতদের বিশেষভাবে আকর্ষন করছে বালিশ মিষ্টি। 

ফরিদপুর বোয়ালমারী উপজেলার কাটাগড় গ্রামের ধর্মীয় সাধক দেওয়ান শাগির শাহর (রহ.) মাজারের বার্ষিক ওরস উপলক্ষে প্রতি বছরের মতো এবারও শুরু হয়েছে ঐতিহ্যবাহী কাটাগড় মেলা। প্রতি বছরের ১১ চৈত্র (২৫ মার্চ) থেকে ১৩ চৈত্র (২৭ মার্চ) পর্যন্ত চলে এ মেলা। আনুষ্ঠানিকভাবে তিন দিন হলেও মেলা চলে মাসব্যাপী।

রোববার (২৮ মার্চ) কাটাগড় মেলা ঘুরে দেখা গেছে, দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে আগত শতাধিক মিষ্টির দোকান বসেছে। হরেকরকম মিষ্টির পসরা সাজিয়ে বসেছেন দোকানিরা। ক্রেতাদের ভিড়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা।

মেলার আয়োজক কমিটির সভাপতি মশিউল আজম বাবু মিয়া বলেন, ‘মেলায় দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায় দশ লাখ মানুষের সমাগম হয়েছে। এবার মেলার বিশেষ আকর্ষণ বালিশ মিষ্টি।’

গোপালগঞ্জের মুকসুদপুর থেকে আসা মিষ্টির দোকানদার দিনবন্ধু সাহা জানান, কেনাবেচা বেশ ভালোই হচ্ছে। আমাদের দোকানের বিশেষ আকর্ষন হচ্ছে বালিশ মিষ্টি। প্রতি পিস বালিশ মিষ্টি ৮০০ টাকা। আর এক জোড়ার দাম ১৫০০ টাকা। তবে ছোট সাইজের বালিশ মিষ্টির দাম ৪০০ টাকা আর প্রতি জোড়া ৮০০ টাকা। এছাড়া প্রতি পিস মোহনভোগ ১০০ টাকা, সীতাভোগ ১০০ টাকা, সম্মানীভোগ ১০০ টাকা, পানি তাওয়া ৫০ টাকা ও রাজভোগ ৫০ টাকা।

এ মিষ্টি দোকানি বলেন, ‘দোকানের পেছনেই মিষ্টি তৈরির করা হয়। একেবারে টাটকা মিষ্টি বিক্রি করছি আমরা। প্রতি দিন গড়ে ছোট-বড় মিলিয়ে ৪-৫ শত পিস বালিশ মিষ্টি বিক্রি হয়।’

যশোর জেলা থেকে আসা আরেক মিষ্টির দোকানদার অসিম কুমার সাহা বলেন, ‘দোকানে প্যারা সন্দেশ, সাগরভোগ, বালিশ মিষ্টিসহ বিভিন্ন ধরনের মিষ্টি রয়েছে। প্রতি দিন গড়ে প্রায় ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা কেনাবেচা হচ্ছে।’

 

Back to top button
%d bloggers like this: