আগামী ৯ মে মামুনুলের রিমান্ড আবেদনের শুনানি

যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক
যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হক

হেফাজতে ইসলামের বিলুপ্ত কেন্দ্রীয় কমিটির যুগ্ম মহাসচিব মামুনুল হকের বিরুদ্ধে নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানায় করা পৃথক তিন মামলায় ২৪ দিনের রিমান্ড আবেদনের শুনানির দিন আগামী ৯ মে ধার্য করেছে আদালত।

গতকাল রোববার সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আহমেদ হুমায়ুন কবিরের আদালতে পুলিশ ও ডিবির পক্ষ থেকে সোনারগাঁও থানায় মামুনুল হকের কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণার মামলায় ১০ দিন, রয়েল রিসোর্টকাণ্ডের মামলায় ৭ দিন এবং উপজেলা আওয়ামী লীগের অফিস ভাঙচুরের মামলায় ৭ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়। পরে আদালত আগামী ৯ মে রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করে।

নারায়ণগঞ্জ কোর্ট পুলিশের পরিদর্শক আসাদুজ্জামান জানান, পুলিশের পক্ষ থেকে গতকাল রিমান্ডের আবেদন করলে বিগ আদালত আগামী ৯ মে রিমান্ড শুনানির দিন ধার্য করে।

নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার (এসপি) জায়েদুল আলম বলেন, পুলিশের তদন্তে থাকা জান্নাত আরা ঝর্ণার মামলায় ১০ দিন, ডিবির তদন্তে থাকা রিসোর্টকাণ্ডের মামলায় সাত দিন এবং আওয়ামী লীগের অফিসে হামলা মামলায় সাত দিন করে মোট ২৪ দিনের রিমান্ড আবেদন করা হয়েছে মামুনুল হককে অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদের জন্য।

গত ৩০ এপ্রিল বিয়ের প্রলোভন ধর্ষণ, প্রতারণা ও নির্যাতনের অভিযোগ এনে হেফাজতে ইসলামের সদ্য বিলুপ্ত কমিটির যুগ্ম মহাসচিব ও ঢাকা মহানগরের সাধারণ সম্পাদক মামুনুল হকের বিরুদ্ধে মামলা করেন তার দাবি করা কথিত দ্বিতীয় স্ত্রী জান্নাত আরা ঝর্ণা।

উল্লেখ্য, মোদি বিরোধী আন্দোলনের নামে রাজধানী ঢাকাসহ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও হাটহাজারীতে তাণ্ডবের পর রিসোর্টকাণ্ডে মামুনুল হককে নিয়ে দেশজুড়ে তোলপাড় শুরু হয়। আইনশৃঙ্খলা বাহিনী তাণ্ডবের অভিযোগে একে একে হেফাজতের কেন্দ্রীয় নেতাদের গ্রেফতার করতে থাকে।

মাওলানা মামুনুল হককে গত ১৮ এপ্রিল মোহাম্মদপুরের জামিয়া রাহমানিয়া আরাবিয়া মাদ্রাসা থেকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

২০২০ সালে দায়ের হওয়া মোহাম্মদপুর থানার একটি মামলায় গ্রেফতার দেখিয়ে সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে পল্টন ও মতিঝিল থানার পৃথক দুটি মামলায় গ্রেফতার দেখানো হয় তাকে। ওই দুই মামলায় আবার তাকে মোট সাত দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ।