অন্যান্য

আবাসিক হোটেলে উঠে ভুলেও যেসব কাজ করবেন না

কাজের জন্য কিংবা ছুটি কাটাতে বাড়ি ছেড়ে অন্য কোথাও গেলে থাকার জন্য একমাত্র হোটেলই ভরসা। আবাসিক হোটেলে থাকার সময় কিছু বিষয় আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে। না হলে আপনে ভয়াবহ ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারেন।

তাহলে জেনে নিন আবাসিক হোটেলে ভুলেও যেসব কাজ কখনোই করবেন না-

হঠাৎ দরজা খুলবেন না- 
দরজায় কড়া নাড়া হলো আর কিছু না বুঝেই বললেন, কাম ইন। এই বিশাল ভুলটি কখনোই করতে যাবেন না। হোটেল কিন্তু দিন শেষে কখনোই তেমন নিরাপদ জায়গা নয়। সুতরাং পরিচয় জেনে তার পরে দরজা খুলুন।

হোটেলের মিনিবারের পানীয় নয়- 
কোমল কিংবা কঠিন, যেমন পানীয়ই খান না কেন, সেটি হোটেলের মিনিবার থেকে খেতে যাবেন না। দেখা যেতে পারে আপনার রুম ভাড়ার চেয়ে মিনিবারের বিলই গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ-তিন গুণ ।

হোটেলের জিনিস নিজের ভাববেন না- 
সম্প্রতি ইজরাইলের পর্যটকদের বিরুদ্ধে আমিরাতের হোটেল থেকে বিভিন্ন জিনিস চুরির অভিযোগ উঠেছে। হোটেলের দামি আসবাব, এমনকি টাওয়েল, পেইন্টিং এগুলো নিজের সম্পদ ভাববেন না’।

ছারপোকায় সাবধান- 
যত বিলাসবহুল কক্ষই হোক আর সুসসজ্জিত বিছানা হোক, ছারপোকা ঠিকই জানে কীভাবে নিজের জায়গা করে নিতে হয়। কাজেই এ ব্যাপারে ভালোমতো তল্লাশি চালান, ছারপোকার সামান্য আনাগোনা দেখলেই সবকিছু ঠিকঠাক করে দেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে অবহিত করুন’।

কলের পানি খাবেন না- 
এক ব্রিটিশ দম্পতি লস অ্যাঞ্জেলেসে বেড়াতে এসে ট্যাপ বা কল থেকে পানি পান করেন। সেই পানিতে কেমন যেন বিচিত্র স্বাদ, এমন স্বাদের পানি নাকি তারা কখনোই খাননি। পরে অনুসন্ধানে জানা গেল, হোটেলের জলাধারে একটি মৃতদেহ! কার ভাগ্যে কী থাকে, তা তো আর বলা যায় না’।

রিমোট কন্ট্রোল ব্যবহার করবেন না- 
হোটেলটি সুলভ বা বিলাসবহুল যেমনই হোক না কেন, এতে জীবাণুর উপস্থিতির সম্ভাবনা বেশি। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য জানা গেছে। আর এসব জীবাণুর একটি বড় অংশ থেকে যায় টেলিভিশনের রিমোট কন্ট্রোলে’।

রুম নম্বর বলবেন না- 
যেখানে সেখানে বা চেক-ইনের সময় আপনার হোটেলের রুম নম্বরটি নিজে উচ্চারণ করবেন না। দুষ্কৃতকারীরা এসব তথ্যের জন্যই মুখিয়ে থাকে। এ বিষয়টি যতটা পারেন গোপন রাখুন, নতুন পরিচিত কাউকেই রুম নম্বর জানাতে যাবেন না’।

মূল্যবান জিনিস রুমে রাখবেন না-
মূল্যবান জিনিসপত্র অনেকেই হোটেলরুমের গোপনীয় কোনো একটি জায়গায় রেখে দেন। এটি চরম ভুল। হোটেলরুম থেকে চুরি করতে যারা ওস্তাদ, তারা কিন্তু ওই সব ‘গোপন’ জায়গার হদিস আপনার চেয়ে ভালো জানে’।

‘ডু নট ডিস্টার্ব’ সাইন-
দরজা লাগিয়ে দিলেই কিন্তু হলো না। যতক্ষণ না ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ সাইন বাইরে ঝুলিয়ে দিচ্ছেন, ততক্ষণ যে কেউ এসে উটকোভাবে আপনার ব্যক্তিগত সময়ে বাধ সাধতে পারে। আবার ঘর পরিষ্কারের চিন্তা থাকলে সেটি সরিয়ে ফেলুন’।

Back to top button
%d bloggers like this: