মহামারি করোনায় স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ পর্যাপ্ত নয় বলে দাবি : সিপিডি
English

মহামারি করোনায় স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ পর্যাপ্ত নয় বলে দাবি : সিপিডি

মহামারি করোনায় স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ পর্যাপ্ত নয় বলে দাবি : সিপিডি

মহামারি করোনায় স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ পর্যাপ্ত নয় বলে দাবি : সিপিডি
মহামারি করোনায় স্বাস্থ্যখাতে বরাদ্দ পর্যাপ্ত নয় বলে দাবি : সিপিডি

মহামারি করোনার কারণে এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ খাত হলো স্বাস্থ্য। এবারের বাজেটে এ খাতে পর্যাপ্ত বরাদ্দ থাকবে এমনটাই আশা ছিল সবার। কিন্তু বাস্তবে যে বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে তা পর্যাপ্ত নয় বলে দাবি করেছে সেন্টার ফর পলিসি ডায়লগ (সিপিডি)।

আজ শুক্রবার (৪ জুন) সিপিডির পক্ষ থেকে আনুষ্ঠানিকভাবে বাজেট নিয়ে প্রতিক্রিয়া জানানো হবে বলে জানান ফাহমিদা খাতুন।

গতকাল বৃহস্পতিবার (৩ জুন) সন্ধ্যায় বাজেট পরবর্তী তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় প্রতিষ্ঠানটির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন বলেন, স্বাস্থ্যখাতে টিকাদানের জন্য ১০ হাজার কোটি টাকা থোক বরাদ্দ রাখা হয়েছে। কিন্তু এটা পর্যাপ্ত নয়।

এ খাতের বরাদ্দ আগের বছরগুলোর মতোই রাখা হয়েছে। করোনা মহামারির অনিশ্চিত একটি সময়ে স্বাস্থ্যের জন্য এই বরাদ্দ অনেক কম। একইভাবে সামাজিক নিরাপত্তা খাতেও বরাদ্দ বেড়েছে সামান্য।

বাজেটের অন্যান্য দিক নিয়ে ফাহমিদা খাতুন বলেন, গত অর্থবছরে কিছু ইতিবাচক দিক ছিল, আবার কিছু দুর্বলাতাও ছিল। দুর্বলতার দিক থেকে আমরা দেখেছি রাজস্ব আয়ে ঘটতি ছিল অনেক বড়। এটা গত কয়েক বছর ধরেই ছিল। করোনার সময় সেটি আরও বেড়েছে। সরকারি ব্যয়ের ক্ষেত্রে দুর্বলতা, সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীরগতি হয়েছে। বাস্তবায়নের হার অত্যন্ত নিম্ন। ব্যয় কম হওয়ার কারণে সরকারি ঘাটতি সীমারেখার নিচেই রয়েছে।

ক্ষুদ্রশিল্প উৎপাদনের ক্ষেত্রে নিম্নমুখী প্রবণতা, খাদ্য মূল্যস্ফীতি কিছুটা বেড়েছে। পাশাপাশি কিছু ইতিবাচক দিকও আছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে আমদানি রফতানির ধারাটা বজায় ছিল। রেমিট্যান্সের প্রবাহ ঊর্ধ্বমুখী ছিল। তাছাড়া ব্যালেন্স অব পেমেন্টের অবস্থা স্বস্তিদায়ক, মুদ্রার বিনিময় স্থীতিশীল, বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভও বেড়েছে।

তিনি আরো বলেন, এসব কিছু বিবেচনায় নিয়ে এবার জিডিপির প্রবৃদ্ধি ৭.২ শতাংশ করার কথা বলা হয়েছে। কিন্তু গত অর্থবছরে জিডিপি দেখানো হয় ৬.১ শতাংশ। এ হিসেবে প্রবৃদ্ধি বাড়ার শতাংশ কম। আমরা বলছি এটি পূরণ হবে না। রাজস্ব কাঠামোতে কোনো পরিবর্তন নেই।

ফাহমিদা খাতুন আরো বলেন, ব্যক্তির যে আয়করের সীমা তা উপরের দিকে বাড়ানো হয়নি। আবার দেখছি নিচের দিকের করসীমা একই রাখা হয়েছে। ফলে আমরা বলছি, এখানে ন্যায্যতা প্রতিষ্ঠা হয়নি। সরকারি ব্যয়ের বর্ধিত বরাদ্দের এক তৃতীয়াংশ দেওয়া হয়েছে জনপ্রশাসনের জন্য। অন্য খাতগুলো বরাদ্দ কম পেয়েছে।

 

শেয়ার করুন


Advertisement




Ads Manager

All Rights Resrved & Protected