জয়পুরহাটে জুয়ারি দাদন ব্যবসায়ীর নির্যাতনের শিকার ৩ নারী জয়পুরহাটে জুয়ারি দাদন ব্যবসায়ীর নির্যাতনের শিকার ৩ নারী

মঙ্গলবার, ২২ Jun ২০২১, ০২:০৪ অপরাহ্ন







জয়পুরহাটে জুয়ারি দাদন ব্যবসায়ীর নির্যাতনের শিকার ৩ নারী

জয়পুরহাটে জুয়ারি দাদন ব্যবসায়ীর নির্যাতনের শিকার ৩ নারী

জয়পুরহাটে জুয়ারি দাদন ব্যবসায়ীর নির্যাতনের শিকার ৩ নারী
জয়পুরহাটে জুয়ারি দাদন ব্যবসায়ীর নির্যাতনের শিকার ৩ নারী

জয়পুরহাটের পাঁচবিবি উপজেলার শুখানপুকুর গ্রামে জুয়ারি দাদন ব্যবসায়ি ও তার ছেলেসহ ভাড়াটে গুন্ডা বাহিনীর হাতে নির্যাতনের শিকার এক বিধবা মহিলা ও তার দুই কন্য, চিকিৎসাসেবা নিতে হাসপাতালে ভর্তি।

শুক্রবার(৪জুন) বিকাল ৫ টায় এ ঘটনা ঘটে। নির্যাতিত ওই ৩ নারীরা হলেন মৃত আব্দুল খালেকের স্ত্রী আমেনা বেওয়া (৫০) বড় মেয়ে খালেদা (২৫) ও ছোট মেয়ে পাপিয়া খাতুন (১৬)।

স্থানীয়রা জানায়  ৪ বছর আগে একই উপজেলার রহমতপুর গ্রামের মৃত মজিদ এর ছেলে গোলজার হোসেন (৬০) এর কাছে সংসারিক প্রয়োজনে ফাঁকা ব্যাংক চেক জমা দিয়ে চড়াও সুদে কিছু টাকা নেয়, নির্ধারিত সময়ে তা পরিশোধ ও করেন আকাঙ্ক্ষিত সুদের টাকা না পাওয়ায় আরও টাকার দাবি করে আসতেছিল গোলজার।

কিছু  দিন পরে গ্রহীতা ওই খালেক মারা যায়, ৩ বছর পরে আবারো মৃত খালেকের পরিবারের লোকজনের কাছে মোটা অঙ্কে টাকা দাবি করে তা দিতে অপারগতা প্রকাশ করলে বেধড়ক ভাবে মারধর গহনা ও বাড়িতে থাকা নগদ টাকা ছিনিয়ে নিয়ে আসে।

ইতিপূর্বে  জুয়ার আসর থেকে আটক ও হয়েছিল ওই জুয়ারি দাদন ব্যবসায়ি।

এ বিষয়ে নাম প্রকাশের অনিচ্ছুক কিছু লোক বলেন গোলজার বহুদিন ধনে ১এক হাজার টাকায় সপ্তাহে একশো টাকা সুদ নিয়ে আসতেছে, সরকারের কাছে আহ্বান জানাই এইসব দাদন ব্যবসায়িদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে।

অভিযোগ কারী খালেদা বলেন আমার বাবা বেচে থাকতে কোন অর্থনৈতিক লেনদেন হয়েছে কিনা তা আমরা কিছুই জানিনা ৩ বছর  পরে আমাদের কাছে মোটা অঙ্কের টাকা দাবি করছে। আমরা দিতে অস্বীকার করলে  তারা ক্ষিপ্ত হয়ে আমাদেরকে মারধর স্বর্ণ অলংকার ও নগদ টাকা  বাড়ি থেকে ছিনিয়ে নিয়ে যায় তারা।

অভিযুক্ত গোলজার বলেন, খালেক বেঁচে থাকতে আমার কাছ থেকে ফাঁকা চেক রেখে ২ লক্ষ ২৬ হাজার টাকা হাওলাদ বাবদ নেয় তা পরিশোধ না করেই মৃত্যুবরণ করেছে। আমি নিজে ৫ লক্ষ চেকে লিখে উত্তোলনের জন্য যায়। কিন্তু একাউন্টে টাকা না থাকার কারণে সেটা উত্তোলন সম্ভব হয়নি। উক্ত ৫ লক্ষ টাকার চেকটি আমার ভাতিজী জামাই কে হস্তান্তর করে সে টাকা তোলার জন্য তাদের বাসায় গিয়েছিল কিনা এ বিষয়ে বলতে পারি না।

পাঁচবিবি থানার অফিসার ইনচার্জ পলাশ কুমার দেব বলেন এ বিষয়ে আমরা একটি অভিযোগ পেয়েছি তদন্ত সাপেক্ষে ঘটনার সত্যতা পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সুলতান মাহমুদ, জয়পুরহাট

শেয়ার করুন




All Rights Resrved & Protected